skip to content
গুলবাহার

উইন্ডোজ ১১ না বাড়িয়ে ব্যবহার করুন এই ৪টি লিনাক্স ডিস্ট্রো

·

• ৩ মিনিট

উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড না করে লিনাক্স ব্যবহার করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বেশ কিছু ডিস্ট্রিবিউশন। প্রতিটিরই রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা সুবিধা।

পপ!_ওএস (Pop!_OS)

গেমিংয়ের জন্য আদর্শ

লিনাক্সে সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা চাইলে পপ!_ওএস হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। সিস্টেম৭৬-এর এই ডিস্ট্রোটি বিশেষ করে গেমিংয়ের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে জিপিইউ নির্মাতা ও কমিউনিটির সর্বশেষ ড্রাইভার, জিনোমের বদলে কাস্টম ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট এবং পারফরম্যান্স নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ স্বাধীনতা।

পপ!_ওএস টিম পারফরম্যান্সের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বিভিন্ন হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন থেকে সর্বোচ্চ ফ্রেম রেট বের করে আনাই তাদের লক্ষ্য। অটোমেটিক টাইলিং ও সোয়াপ ফাইল ম্যানেজমেন্টের মতো উন্নত সুবিধা থাকায় নতুন ও ভারী গেম চালানোর সময়ও পিসি সর্বোচ্চ গতিতে চলতে পারে। একসময় লিনাক্সে গেম খেলা বেশ ঝামেলার ছিল, কিন্তু ভালভ ও প্রোটনের কল্যাণে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে।

ফেডোরা (Fedora)

নতুন শুরুর জন্য

ফেডোরার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এতে সফটওয়্যারের সর্বশেষ সংস্করণ পাওয়া যায়। উবুন্টু ও অন্যান্য ডিস্ট্রোর তুলনায় এতে সাধারণত জিনোমের নতুন রিলিজ আগে চলে আসে। আর্চের মতো ডিস্ট্রো সবসময় নতুন সফটওয়্যার দেয় ঠিকই, তবে ফেডোরাও খুব একটা পিছিয়ে নেই। তাছাড়া এর পেছনে রয়েছে বিশাল এক কমিউনিটি। যারা পুরনো উবুন্টুর মতো অভিজ্ঞতা চান কিন্তু খুব বেশি সরলীকরণ পছন্দ করেন না, তাদের জন্য এটি আদর্শ।

লিনাক্স মিন্ট (Linux Mint)

উইন্ডোজের মতো অভিজ্ঞতা

লিনাক্স মিন্ট মূলত উবুন্টুই, তবে এতে উইন্ডোজের মতো স্টার্ট মেনু রয়েছে। এটি ক্যানোনিক্যালের ডিস্ট্রোর (উবুন্টু) ওপর ভিত্তি করে তৈরি—ঠিক যেমন উবুন্টু ডেবিয়ানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। লিনাক্স মিন্টের মূল লক্ষ্য হলো উইন্ডোজ থেকে লিনাক্সে আসার প্রক্রিয়াটি সহজ করা। এতে রয়েছে মাইক্রোসফটের প্ল্যাটফর্মের মতো পরিচিত ইউআই এবং এমন অসংখ্য অ্যাপ যা কয়েক ক্লিকেই ইনস্টল করা যায়। যারা টার্মিনাল ব্যবহার একদমই করতে চান না, তাদের জন্য এটি সেরা পছন্দ।

উবুন্টু (Ubuntu)

সবচেয়ে ব্যবহারবান্ধব লিনাক্স ডিস্ট্রো

লিনাক্স নিয়ে পড়াশোনা বা আলোচনা করতে গেলে উবুন্টুর নাম আসবেই। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রো, যা দশকের পর দশক ধরে নতুন ব্যবহারকারীদের লিনাক্সের জটিলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে আসছে। যেকোনো সমস্যায় সাহায্যের জন্য রয়েছে এর বিশাল ও সক্রিয় কমিউনিটি। লিনাক্স ব্যবহার বাড়াতে অনেকেই সরাসরি সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকেন। উইন্ডোজ ছেড়ে লিনাক্সে আসতে চাইলে উবুন্টু দিয়েই শুরু করা যেতে পারে।

ক্যানোনিক্যাল নিয়মিত এটি রক্ষণাবেক্ষণ করে। উবুন্টু অত্যন্ত ব্যবহারবান্ধব—একে ম্যাকওএস ও উইন্ডোজের মিশ্রণও বলা যায়। জিনোম ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টের কারণে এর ইউআই বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। প্রয়োজনীয় অ্যাপ রাখার জন্য এতে ডক রয়েছে, পাশাপাশি সর্বশেষ সফটওয়্যার ও গেমের সমর্থনও পাওয়া যায়। অন্যান্য ডিস্ট্রোর মতো উবুন্টুতেও স্টিম ও ভালভের প্রোটন আপডেটের সুবিধা উপভোগ করা যায়।

কেমন লাগলো এই লেখাটি?

প্রাসঙ্গিক লেখা

৩টি লেখা
  1. চ্যাটবটের প্রেমে পড়ে নিঃস্ব হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ

    চ্যাটবটের সাথে সম্পর্ক, ব্যবসায়িক প্রতারণা এবং মানসিক ভারসাম্য হারানোর সত্য গল্প

    এআইমানসিক স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি
  2. আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ?

    স্মার্টফোনের যুগে মনোযোগ হারানোর সংকট এবং কেন মানুষ আবার সরল ডিভাইসের দিকে ফিরছে।

    প্রযুক্তিডিজিটাল ওয়েলবিংস্মার্টফোন
  3. আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের পেটেন্ট কি চুরির ফসল?

    টেলিফোনের আবিষ্কার নিয়ে ১৫০ বছরের বিতর্ক। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল নাকি এলিশা গ্রে? এক ঐতিহাসিক রহস্যের অনুসন্ধান।

    ইতিহাসপ্রযুক্তিটেলিফোন